৪ রমাদান

    নামাজ

নামাজ আল্লাহর সান্নিধ্য ও সাহায্যের মাধ্যম | পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা নামাজের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে সাহায্য চাওয়ার উপায় সম্পর্কে এভাবে বর্ণনা করেছেন:

وَ اَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَ ارۡکَعُوۡا مَعَ الرّٰکِعِیۡنَ ﴿۴۳﴾

তোমরা সঠিক নিয়ম মেনে নামাজ কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং যারা আল্লাহর সামনে অবনত হয় (রুকু করে), তাদের সাথে তোমরাও অবনত হও। [সুরা বাকারা, আয়াত: ৪৩]

وَ اسۡتَعِیۡنُوۡا بِالصَّبۡرِ وَ الصَّلٰوۃِ ؕ وَ اِنَّهَا لَکَبِیۡرَۃٌ اِلَّا عَلَی الۡخٰشِعِیۡنَ ﴿ۙ۴۵﴾

তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করো। নিঃসন্দেহে এটি একটি কঠিন কাজ, তবে যারা বিনীত বা আল্লাহভীরু, তাদের জন্য এটি মোটেও কঠিন নয়। [সুরা বাকারা, আয়াত: ৪৫]

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اسۡتَعِیۡنُوۡا بِالصَّبۡرِ وَ الصَّلٰوۃِ ؕ اِنَّ اللّٰهَ مَعَ الصّٰبِرِیۡنَ ﴿۱۵۳﴾

হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের উসিলায় আল্লাহর সাহায্য চাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথেই আছেন। [সুরা বাকারা, আয়াত: ১৫৩]

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَقۡرَبُوا الصَّلٰوۃَ وَ اَنۡتُمۡ سُکٰرٰی حَتّٰی تَعۡلَمُوۡا مَا تَقُوۡلُوۡنَ وَ لَا جُنُبًا اِلَّا عَابِرِیۡ سَبِیۡلٍ حَتّٰی تَغۡتَسِلُوۡا ؕ وَ اِنۡ کُنۡتُمۡ مَّرۡضٰۤی اَوۡ عَلٰی سَفَرٍ اَوۡ جَآءَ اَحَدٌ مِّنۡکُمۡ مِّنَ الۡغَآئِطِ اَوۡ لٰمَسۡتُمُ النِّسَآءَ فَلَمۡ تَجِدُوۡا مَآءً فَتَیَمَّمُوۡا صَعِیۡدًا طَیِّبًا فَامۡسَحُوۡا بِوُجُوۡهِکُمۡ وَ اَیۡدِیۡکُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰهَ کَانَ عَفُوًّا غَفُوۡرًا ﴿۴۳﴾

হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাজের কাছে যেও না, যতক্ষণ না তোমরা যা বলছো তা বুঝতে পারো (অর্থাৎ সচেতন হও)। আর ফরয গোসল অবস্থায়ও নামাজের কাছে যেও না, যতক্ষণ না তোমরা গোসল করো (তবে মুসাফির অবস্থায় পানি না পেলে ভিন্ন কথা)। আর যদি তোমরা অসুস্থ হও, সফরে থাকো, শৌচাগার থেকে ফিরে আসো কিংবা স্ত্রী সহবাস করো এবং পরে পানি না পাও—তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করো। তায়াম্মুমের সময় তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত মাসেহ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু। [সুরা নিসা, আয়াত: ৪৩]