৬ রমাদান

হযরত মুহাম্মদ ﷺ: মর্যাদা ও মহিমা

মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন সূরায় তাঁর রাসূল ﷺ-এর শান ও মান এভাবে বর্ণনা করেছেন: 

 لَا تَجۡعَلُوۡا دُعَآءَ الرَّسُوۡلِ بَیۡنَکُمۡ کَدُعَآءِ بَعۡضِکُمۡ بَعۡضًا ؕ قَدۡ یَعۡلَمُ اللّٰهُ الَّذِیۡنَ یَتَسَلَّلُوۡنَ مِنۡکُمۡ لِوَاذًا ۚ فَلۡیَحۡذَرِ الَّذِیۡنَ یُخَالِفُوۡنَ عَنۡ اَمۡرِهٖۤ اَنۡ تُصِیۡبَهُمۡ فِتۡنَۃٌ اَوۡ یُصِیۡبَهُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ ﴿۶۳﴾

তোমরা একে অপরকে যেভাবে (নাম ধরে বা সাধারণ স্বরে) ডাকো, আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে সেভাবে ডেকো না। তোমাদের মধ্যে যারা অজুহাত দেখিয়ে চুপিসারে সরে পড়ে, আল্লাহ তাদের ভালো করেই জানেন। অতএব, যারা রাসূলের আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা যেন সতর্ক থাকে যে—তাদের ওপর কোনো কঠিন বিপর্যয় নেমে আসতে পারে অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি পৌঁছাতে পারে।

[সূরা আন-নূর, আয়াত: ৬৩]

 مَا کَانَ مُحَمَّدٌ اَبَاۤ اَحَدٍ مِّنۡ رِّجَالِکُمۡ وَ لٰکِنۡ رَّسُوۡلَ اللّٰهِ وَ خَاتَمَ النَّبِیّٖنَ ؕ وَ کَانَ اللّٰهُ بِکُلِّ شَیۡءٍ عَلِیۡمًا ﴿۴۰﴾

মুহাম্মদ ﷺ তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষের পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং সর্বশেষ নবী (খাতামুন নাবিয়্যীন)। আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে পূর্ণ জ্ঞান রাখেন।

[সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৪০]

وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ اٰمَنُوۡا بِمَا نُزِّلَ عَلٰی مُحَمَّدٍ وَّ هُوَ الۡحَقُّ مِنۡ رَّبِّهِمۡ ۙ کَفَّرَ عَنۡهُمۡ سَیِّاٰتِهِمۡ وَ اَصۡلَحَ بَالَهُمۡ ﴿۲﴾

আর যারা ঈমান এনেছে, নেক কাজ করেছে এবং মুহাম্মদ ﷺ-এর প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে (আল-কুরআন)—যা তাদের রবের পক্ষ থেকে ধ্রুব সত্য—তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছে; আল্লাহ তাদের মন্দ কাজগুলো দূর করে দেবেন এবং তাদের অবস্থা সংশোধন করে দেবেন।

[সূরা মুহাম্মদ, আয়াত: ২]

اَلَمۡ نَشۡرَحۡ لَکَ صَدۡرَکَ ۙ﴿۱﴾ وَ وَضَعۡنَا عَنۡکَ وِزۡرَکَ ۙ﴿۲﴾ الَّذِیۡۤ اَنۡقَضَ ظَهۡرَکَ ۙ﴿۳﴾ وَ رَفَعۡنَا لَکَ ذِکۡرَکَ ؕ﴿۴﴾ فَاِنَّ مَعَ الۡعُسۡرِ یُسۡرًا ۙ﴿۵﴾ اِنَّ مَعَ الۡعُسۡرِ یُسۡرًا ؕ﴿۶﴾ فَاِذَا فَرَغۡتَ فَانۡصَبۡ ۙ﴿۷﴾ وَ اِلٰی رَبِّکَ فَارۡغَبۡ ﴿۸﴾

(হে হাবিব!) আমি কি আপনার বক্ষ উন্মুক্ত করে দেইনি? আমি আপনার ওপর থেকে সেই ভারী বোঝা লাঘব করেছি, যা আপনার পিঠ ভেঙে দিচ্ছিল। আর আমি আপনার মর্যাদা ও আলোচনাকে (জগতজুড়ে) সমুন্নত করেছি। মনে রাখবেন, কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে; নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে। অতএব, যখনই আপনি অবসর পান, ইবাদতে শ্রম দান করুন এবং আপনার প্রতিপালকের প্রতি একনিষ্ঠভাবে মনোনিবেশ করুন।

[সূরা আল-ইনশিরাহ, আয়াত: ১-৮]

 اِنَّاۤ اَعۡطَیۡنٰکَ الۡکَوۡثَرَ ؕ﴿۱﴾ فَصَلِّ لِرَبِّکَ وَ انۡحَرۡ ؕ﴿۲﴾ اِنَّ شَانِئَکَ هُوَ الۡاَبۡتَرُ ﴿۳﴾

নিশ্চয়ই আমি আপনাকে ‘কাউসার’ (জান্নাতি ঝরনা ও অফুরন্ত কল্যাণ) দান করেছি। অতএব, আপনি আপনার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কোরবানি করুন। নিশ্চয়ই আপনার শত্রুরাই হবে নির্বংশ ও শিকড়হীন।

[সূরা আল-কাউসার, আয়াত: ১-৩]