৮ রমাদান

তাকদির

আল্লাহ তাআলা মহাবিশ্বের স্রষ্টা এবং প্রতিটি বস্তুর ভাগ্য ও সীমা নির্ধারণকারী। পবিত্র কুরআনের আলোকে এর বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো:

 ۣالَّذِیۡ لَهٗ مُلۡکُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ وَ لَمۡ یَتَّخِذۡ وَلَدًا وَّ لَمۡ یَکُنۡ لَّهٗ شَرِیۡکٌ فِی الۡمُلۡکِ وَ خَلَقَ کُلَّ شَیۡءٍ فَقَدَّرَهٗ تَقۡدِیۡرًا ﴿۲﴾

যাঁর অধিকারে রয়েছে আসমান ও যমীনের পূর্ণ মালিকানা; তিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি এবং তাঁর সার্বভৌমত্বে কোনো শরীক নেই। তিনি প্রতিটি বস্তু সৃষ্টি করেছেন এবং প্রতিটি বস্তুকে পরিমিতভাবে (একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে ও ভাগ্যে) নির্ধারণ করেছেন।

[সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ২]

وَ اَنۡ لَّیۡسَ لِلۡاِنۡسَانِ اِلَّا مَا سَعٰی ﴿ۙ۳۹﴾

মানুষ যা চেষ্টা করে, সে কেবল তা-ই পায়।

[সূরা আন-নাজম, আয়াত: ৩৯] (অর্থাৎ, আল্লাহ ভাগ্য লিখে রেখেছেন ঠিকই, কিন্তু সেই ফল পেতে হলে মানুষকে নিজ উদ্যোগে মেহনত করতে হয়। চেষ্টার পর মানুষ যা পায়, সেটাই তার জন্য নির্ধারিত তাকদির।)

 اِنَّا کُلَّ شَیۡءٍ خَلَقۡنٰهُ بِقَدَرٍ ﴿۴۹﴾

নিশ্চয়ই আমি প্রতিটি বস্তুকে নির্দিষ্ট পরিমাপ (তাকদির) সহকারে সৃষ্টি করেছি।

[সূরা আল-কামার, আয়াত: ৪৯]