১৮ রমাদান

ধৈর্য ও সহনশীলতার গুরুত্ব

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা মুমিনদের জীবনের কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং ধৈর্যশীলদের জন্য মহৎ প্রতিদানের ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা মুমিনদের উদ্দেশ্য করে বলেন

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اسۡتَعِیۡنُوۡا بِالصَّبۡرِ وَ الصَّلٰوۃِ ؕ اِنَّ اللّٰهَ مَعَ الصّٰبِرِیۡنَ ﴿۱۵۳﴾

হে মুমিনগণ, ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন। (সুরা বাকারা-১৫৩)

মানুষের জীবন সর্বদা একরকম যায় না। আল্লাহ তা‘আলা পরীক্ষার মাধ্যমে বান্দার ঈমান যাচাই করেন। তিনি বলেন:

وَ لَنَبۡلُوَنَّکُمۡ بِشَیۡءٍ مِّنَ الۡخَوۡفِ وَ الۡجُوۡعِ وَ نَقۡصٍ مِّنَ الۡاَمۡوَالِ وَ الۡاَنۡفُسِ وَ الثَّمَرٰتِ ؕ وَ بَشِّرِ الصّٰبِرِیۡنَ ﴿۱۵۵﴾ۙ

আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর আপনি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন। (সুরা বাকারা-১৫৫)

মুমিনদের সম্পদ ও জীবনের পাশাপাশি অন্যের কটু কথার মাধ্যমেও পরীক্ষা করা হয়। পূর্ববর্তী কিতাবধারী ও মুশরিকদের পক্ষ থেকে অনেক কষ্টদায়ক কথা শুনতে হতে পারে। এমতাবস্থায় যদি মুমিনরা ধৈর্য ধরে এবং তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অবলম্বন করে, তবে তা হবে অত্যন্ত দৃঢ় সংকল্প ও সাহসিকতার কাজ। আল্লাহ তাআলা বলেন,

لَتُبۡلَوُنَّ فِیۡۤ اَمۡوَالِکُمۡ وَ اَنۡفُسِکُمۡ ۟ وَ لَتَسۡمَعُنَّ مِنَ الَّذِیۡنَ اُوۡتُوا الۡکِتٰبَ مِنۡ قَبۡلِکُمۡ وَ مِنَ الَّذِیۡنَ اَشۡرَکُوۡۤا اَذًی کَثِیۡرًا ؕ وَ اِنۡ تَصۡبِرُوۡا وَ تَتَّقُوۡا فَاِنَّ ذٰلِکَ مِنۡ عَزۡمِ الۡاُمُوۡرِ ﴿۱۸۶﴾

অবশ্যই তোমাদেরকে তোমাদের ধন-সম্পদ ও তোমাদের নিজ জীবন সম্পর্কে পরীক্ষা করা হবে। আর অবশ্যই তোমরা শুনবে তোমাদের পূর্বে যাদের কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে এবং মুশরিকদের পক্ষ থেকে অনেক কষ্টদায়ক কথা। আর যদি তোমরা ধৈর্য ধর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর তবে নিশ্চয় তা হবে দৃঢ় সংকল্পের কাজ। (সুরা আলে ইমরান-১৮৬)