১৪ রমাদান

জান্নাত

মহান আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে মুমিন ও নেককার বান্দাদের জন্য জান্নাতের অতি মনোরম ও শান্তিময় জীবনের বর্ণনা দিয়েছেন। এই মহিমান্বিত পুরস্কার সম্পর্কে তিনি ইরশাদ করেন:

وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ سَنُدۡخِلُهُمۡ جَنّٰتٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ خٰلِدِیۡنَ فِیۡهَاۤ اَبَدًا ؕ لَهُمۡ فِیۡهَاۤ اَزۡوَاجٌ مُّطَهَّرَۃٌ ۫ وَّ نُدۡخِلُهُمۡ ظِلًّا ظَلِیۡلًا ﴿۵۷﴾

“আর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, অবশ্য আমি প্রবিষ্ট করাব তাদেরকে জান্নাতে, যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহর সমূহ। সেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল। সেখানে তাদের জন্য থাকবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্ত্রীগণ। তাদেরকে আমি প্রবিষ্ট করব ঘন ছায়ানীড়ে।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৭)

এই আয়াতে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে, জান্নাত কেবল বসবাসের স্থান নয়, বরং এটি এমন এক উদ্যান যেখানে স্নিগ্ধ নহর বয়ে যায় এবং যেখানে মুমিনরা ঘন ও শীতল ছায়ার আশ্রয়ে পরম শান্তিতে থাকবে।

জান্নাতবাসীদের প্রশান্তি সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন:

لَا یَمَسُّهُمۡ فِیۡهَا نَصَبٌ وَّ مَا هُمۡ مِّنۡهَا بِمُخۡرَجِیۡنَ ﴿۴۸﴾

“সেখানে তাদের মোটেই কষ্ট হবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃত হবে না।” (সূরা আল-হিজর, আয়াত: ৪৮)

অর্থাৎ, দুনিয়ার জীবনের মতো জান্নাতে কোনো রোগ-শোক, ক্লান্তি বা অবসাদ থাকবে না। একবার সেখানে প্রবেশ করলে কাউকে আর সেখান থেকে বের করে দেওয়া হবে না; বরং এটিই হবে তাদের চিরদিনের আবাস।

পরম সুখের এই জান্নাত লাভের পাথেয় হলো বিশুদ্ধ ঈমান এবং একনিষ্ঠভাবে নেক কাজ করা। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে সেই জান্নাতের অধিকারী হওয়ার তৌফিক দান করুন।