২ রমাদান

তাওহিদ (আল্লাহর একত্ববাদ)

মহান আল্লাহর একত্ববাদ ও তাঁর সার্বভৌমত্ব সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের শাশ্বত ঘোষণা:

  قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ۚ﴿۱﴾ اَللّٰهُ الصَّمَدُ ۚ﴿۲﴾ لَمۡ یَلِدۡ ۬ۙ وَ لَمۡ یُوۡلَدۡ ۙ﴿۳﴾ وَ لَمۡ یَکُنۡ لَّهٗ کُفُوًا اَحَدٌ ﴿۴﴾

(হে হাবিব) বলুন, তিনি আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, বরং সবাই তাঁর মুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাঁকে জন্ম দেয়নি। আর তাঁর সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ নেই। [সুরা ইখলাস]

 وَ اِلٰـهُکُمۡ اِلٰهٌ وَّاحِدٌ ۚ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الرَّحۡمٰنُ الرَّحِیۡمُ ﴿۱۶۳﴾

তোমাদের উপাস্য কেবল একজনই। সেই পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। [সুরা বাকারা, আয়াত: ১৬৩]

 اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۚ اَلۡحَیُّ الۡقَیُّوۡمُ ۬ۚ لَا تَاۡخُذُهٗ سِنَۃٌ وَّ لَا نَوۡمٌ ؕ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الۡاَرۡضِ ؕ مَنۡ ذَا الَّذِیۡ یَشۡفَعُ عِنۡدَهٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِهٖ ؕ یَعۡلَمُ مَا بَیۡنَ اَیۡدِیۡهِمۡ وَ مَا خَلۡفَهُمۡ ۚ وَ لَا یُحِیۡطُوۡنَ بِشَیۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ کُرۡسِیُّهُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ ۚ وَ لَا یَـُٔوۡدُهٗ حِفۡظُهُمَا ۚ وَ هُوَ الۡعَلِیُّ الۡعَظِیۡمُ ﴿۲۵۵﴾

 

আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব এবং মহাবিশ্বের সবকিছুর ধারক। ক্লান্তি বা ঘুম তাঁকে স্পর্শ করতে পারে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, সবকিছুর মালিক তিনি। তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করার সাধ্য কারো নেই। সৃষ্টির সামনে বা পেছনে যা কিছু আছে—তার সবই তিনি জানেন। তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে কোনো কিছু আয়ত্ত করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। তাঁর সিংহাসন (কুরসি) সমস্ত আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে; আর এই বিশাল সৃষ্টিজগতকে রক্ষা করা তাঁর জন্য মোটেও কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং মহান। [সুরা বাকারা, আয়াত: ২৫৫]

شَهِدَ اللّٰهُ اَنَّهٗ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۙ وَ الۡمَلٰٓئِکَۃُ وَ اُولُوا الۡعِلۡمِ قَآئِمًۢا بِالۡقِسۡطِ ؕ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَکِیۡمُ ﴿ؕ۱۸﴾

আল্লাহ নিজেই সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। ফেরেশতাগণ এবং ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগণও সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কোনো ইলাহ নেই। তিনি পরম পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। [সুরা আলে-ইমরান, আয়াত: ১৮]