২৭ রমাদান

পরনিন্দা

ইসলামি শরীয়তে অন্যের দোষ চর্চা করা এবং প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়া অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে এর পরিণাম নিম্নরূপ:

১. নিন্দাকারীর দুর্ভোগ

সামনে কিংবা পেছনে—যেকোনোভাবেই মানুষের নিন্দা বা সমালোচনা করা পরকালের জন্য ধ্বংসাত্মক। আল্লাহ তাআলা এ সম্পর্কে বলেন:

وَیۡلٌ لِّکُلِّ هُمَزَۃٍ لُّمَزَۃِۣ ۙ﴿۱﴾

“দুর্ভোগ প্রত্যেকের যে সামনে নিন্দাকারী ও পেছনে গীবতকারী।”

[সূরা আল-হুমাযাহ, আয়াত: ১]

২. গীবত ও কুধারণার বীভৎসতা

মুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত এবং পরনিন্দা কতটা জঘন্য, তা আল্লাহ তাআলা একটি উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন:

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اجۡتَنِبُوۡا کَثِیۡرًا مِّنَ الظَّنِّ ۫ اِنَّ بَعۡضَ الظَّنِّ اِثۡمٌ وَّ لَا تَجَسَّسُوۡا وَ لَا یَغۡتَبۡ بَّعۡضُکُمۡ بَعۡضًا ؕ اَیُحِبُّ اَحَدُکُمۡ اَنۡ یَّاۡکُلَ لَحۡمَ اَخِیۡهِ مَیۡتًا فَکَرِهۡتُمُوۡهُ ؕ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ ؕ اِنَّ اللّٰهَ تَوَّابٌ رَّحِیۡمٌ ﴿۱۲﴾

“হে মুমিনগণ, তোমরা অধিক অনুমান থেকে দূরে থাক। নিশ্চয় কোন কোন অনুমান তো পাপ। আর তোমরা গোপন বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং একে অপরের গীবত করো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? তোমরা তো তা অপছন্দই করে থাক। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ অধিক তাওবা কবুলকারী, অসীম দয়ালু।”

[সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ১২]