৩ রমাদান

শিরক

পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ তাআলা শিরকের ভয়াবহ পরিণাম এবং তাঁর অসীম সার্বভৌমত্বের বর্ণনা দিয়েছেন:

اِنَّ اللّٰهَ لَا یَغۡفِرُ اَنۡ یُّشۡرَکَ بِهٖ وَ یَغۡفِرُ مَا دُوۡنَ ذٰلِکَ لِمَنۡ یَّشَآءُ ۚ وَ مَنۡ یُّشۡرِکۡ بِاللّٰهِ فَقَدِ افۡتَرٰۤی اِثۡمًا عَظِیۡمًا ﴿۴۸﴾

নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শরিক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। তবে শিরক ছাড়া অন্য যেকোনো পাপ তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করল, সে এক ভয়াবহ মিথ্যা রটনা করল এবং মহাপাপে লিপ্ত হলো।

[সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৮]

 وَ مَنۡ اَضَلُّ مِمَّنۡ یَّدۡعُوۡا مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ مَنۡ لَّا یَسۡتَجِیۡبُ لَهٗۤ اِلٰی یَوۡمِ الۡقِیٰمَۃِ وَ هُمۡ عَنۡ دُعَآئِهِمۡ غٰفِلُوۡنَ ﴿۵﴾

সেই ব্যক্তির চেয়ে বড় পথভ্রষ্ট আর কে হতে পারে, যে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে যা কিয়ামত পর্যন্তও তার ডাকে সাড়া দেবে না? এমনকি তারা (যাদের ডাকা হচ্ছে) তাদের সেই আহ্বান বা প্রার্থনা সম্পর্কে কোনো খবরই রাখে না।

[সূরা আল-আহকাফ, আয়াত: ৫]

 اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۚ اَلۡحَیُّ الۡقَیُّوۡمُ ۬ۚ لَا تَاۡخُذُهٗ سِنَۃٌ وَّ لَا نَوۡمٌ ؕ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الۡاَرۡضِ ؕ مَنۡ ذَا الَّذِیۡ یَشۡفَعُ عِنۡدَهٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِهٖ ؕ یَعۡلَمُ مَا بَیۡنَ اَیۡدِیۡهِمۡ وَ مَا خَلۡفَهُمۡ ۚ وَ لَا یُحِیۡطُوۡنَ بِشَیۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ کُرۡسِیُّهُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ ۚ وَ لَا یَـُٔوۡدُهٗ حِفۡظُهُمَا ۚ وَ هُوَ الۡعَلِیُّ الۡعَظِیۡمُ ﴿۲۵۵﴾

আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব এবং মহাবিশ্বের সবকিছুর ধারক। ক্লান্তি বা ঘুম তাঁকে স্পর্শ করতে পারে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, সবকিছুর মালিকানা একমাত্র তাঁরই। তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করার সাধ্য কারো নেই। সৃষ্টির সামনে কিংবা পেছনে যা কিছু আছে—তার সবই তিনি জানেন। তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর অসীম জ্ঞানের কোনো কিছুই কেউ আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর সিংহাসন (কুরসি) সমস্ত আসমান ও জমিন জুড়ে পরিবেষ্টিত হয়ে আছে; আর এই বিশাল সৃষ্টিজগতকে রক্ষা করা তাঁর জন্য মোটেও কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সুমহান।

[সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৫৫]

شَهِدَ اللّٰهُ اَنَّهٗ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۙ وَ الۡمَلٰٓئِکَۃُ وَ اُولُوا الۡعِلۡمِ قَآئِمًۢا بِالۡقِسۡطِ ؕ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَکِیۡمُ ﴿ؕ۱۸﴾

আল্লাহ নিজে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। ফেরেশতারা এবং ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগণও এই সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ইনসাফের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সেই পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময় আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে আর কোনো উপাস্য নেই।

[সূরা আলে-ইমরান, আয়াত: ১৮]