৫ রমাদান

হজ্জ ও উমরাহ

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা হজ্জের আদব এবং নিয়মাবলি সম্পর্কে চমৎকার নির্দেশনা দিয়েছেন:

اَلۡحَجُّ اَشۡهُرٌ مَّعۡلُوۡمٰتٌ ۚ فَمَنۡ فَرَضَ فِیۡهِنَّ الۡحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَ لَا فُسُوۡقَ ۙ وَ لَا جِدَالَ فِی الۡحَجِّ ؕ وَ مَا تَفۡعَلُوۡا مِنۡ خَیۡرٍ یَّعۡلَمۡهُ اللّٰهُ ؕؔ وَ تَزَوَّدُوۡا فَاِنَّ خَیۡرَ الزَّادِ التَّقۡوٰی ۫ وَ اتَّقُوۡنِ یٰۤاُولِی الۡاَلۡبَابِ ﴿۱۹۷﴾

 

হজ্জের জন্য নির্ধারিত কয়েকটি মাস আছে। এই মাসগুলোতে যারা হজ্জের নিয়ত করবে, তাদের জন্য স্ত্রী-সহবাস (বা কামোদ্দীপক কথা), কোনো প্রকার পাপাচার এবং ঝগড়া-বিবাদ করা বৈধ নয়। তোমরা যে ভালো কাজই করো না কেন, আল্লাহ তা সম্যক জানেন। আর তোমরা হজ্জের সফরে প্রয়োজনীয় পাথেয় সাথে নাও; মনে রেখো, সর্বোত্তম পাথেয় হলো তাকওয়া বা আল্লাহর ভয়। হে বুদ্ধিমানগণ! তোমরা কেবল আমাকেই ভয় করো।

[সূরা বাকারা, আয়াত: ১৯৭]

وَ اَتِمُّوا الۡحَجَّ وَ الۡعُمۡرَۃَ لِلّٰهِ ؕ فَاِنۡ اُحۡصِرۡتُمۡ فَمَا اسۡتَیۡسَرَ مِنَ الۡهَدۡیِ ۚ وَ لَا تَحۡلِقُوۡا رُءُوۡسَکُمۡ حَتّٰی یَبۡلُغَ الۡهَدۡیُ مَحِلَّهٗ ؕ فَمَنۡ کَانَ مِنۡکُمۡ مَّرِیۡضًا اَوۡ بِهٖۤ اَذًی مِّنۡ رَّاۡسِهٖ فَفِدۡیَۃٌ مِّنۡ صِیَامٍ اَوۡ صَدَقَۃٍ اَوۡ نُسُکٍ ۚ فَاِذَاۤ اَمِنۡتُمۡ ٝ فَمَنۡ تَمَتَّعَ بِالۡعُمۡرَۃِ اِلَی الۡحَجِّ فَمَا اسۡتَیۡسَرَ مِنَ الۡهَدۡیِ ۚ فَمَنۡ لَّمۡ یَجِدۡ فَصِیَامُ ثَلٰثَۃِ اَیَّامٍ فِی الۡحَجِّ وَ سَبۡعَۃٍ اِذَا رَجَعۡتُمۡ ؕ تِلۡکَ عَشَرَۃٌ کَامِلَۃٌ ؕ ذٰلِکَ لِمَنۡ لَّمۡ یَکُنۡ اَهۡلُهٗ حَاضِرِی الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ ؕ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ وَ اعۡلَمُوۡۤا اَنَّ اللّٰهَ شَدِیۡدُ الۡعِقَابِ ﴿۱۹۶﴾

তোমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ্জ ও উমরাহ পরিপূর্ণভাবে পালন করো। যদি তোমরা (শত্রু বা অসুস্থতার কারণে) বাধাগ্রস্ত হও, তবে সহজলভ্য পশু কোরবানি করো। আর কোরবানির পশু নির্দিষ্ট স্থানে না পৌঁছানো পর্যন্ত মাথা মুণ্ডন করো না। তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে বা মাথায় কোনো কষ্ট থাকলে (এবং আগে মাথা মুণ্ডন করতে হলে) তার পরিবর্তে রোজা রাখবে, সদকা দেবে অথবা কোরবানি করবে।

যারা হজ্জ ও উমরাহ একত্রে পালন (তামাত্তু) করবে, তারা সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানি দেবে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে হজ্জের সময় তিনটি এবং ফিরে আসার পর সাতটি—মোট দশটি রোজা পূর্ণ করবে। এই নিয়ম তাদের জন্য যারা মসজিদুল হারামের (মক্কা) বাসিন্দা নয়। আল্লাহকে ভয় করো এবং জেনে রেখো, আল্লাহর শাস্তি অত্যন্ত কঠিন।

[সূরা বাকারা, আয়াত: ১৯৬]