৭ রমাদান

ফেরেশতা

ফেরেশতা মহান আল্লাহর আজ্ঞাবহ সৃষ্টি পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন সূরায় আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন:

وَ لَا یَاۡمُرَکُمۡ اَنۡ تَتَّخِذُوا الۡمَلٰٓئِکَۃَ وَ النَّبِیّٖنَ اَرۡبَابًا ؕ اَیَاۡمُرُکُمۡ بِالۡکُفۡرِ بَعۡدَ اِذۡ اَنۡتُمۡ مُّسۡلِمُوۡنَ ﴿۸۰﴾

আল্লাহ তোমাদের কখনো এই নির্দেশ দেন না যে, তোমরা ফেরেশতা ও নবীদেরকে নিজেদের ‘রব’ বা পালনকর্তা হিসেবে গ্রহণ করো। তোমরা মুসলিম (আল্লাহর অনুগত) হওয়ার পর তিনি কি তোমাদের কুফরীর (অবিশ্বাসের) নির্দেশ দিতে পারেন?

[সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ৮০]

بَلٰۤی ۙ اِنۡ تَصۡبِرُوۡا وَ تَتَّقُوۡا وَ یَاۡتُوۡکُمۡ مِّنۡ فَوۡرِهِمۡ هٰذَا یُمۡدِدۡکُمۡ رَبُّکُمۡ بِخَمۡسَۃِ اٰلٰفٍ مِّنَ الۡمَلٰٓئِکَۃِ مُسَوِّمِیۡنَ ﴿۱۲۵﴾

হ্যাঁ, যদি তোমরা ধৈর্য ধরো এবং তাকওয়া (আল্লাহর ভয়) অবলম্বন করো, আর শত্রুরা যদি হঠাৎ তোমাদের ওপর আক্রমণ করে বসে, তবে তোমাদের প্রতিপালক পাঁচ হাজার চিহ্নিত ফেরেশতা পাঠিয়ে তোমাদের সাহায্য করবেন।

[সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১২৫]

 قُلۡ یَتَوَفّٰىکُمۡ مَّلَکُ الۡمَوۡتِ الَّذِیۡ وُکِّلَ بِکُمۡ ثُمَّ اِلٰی رَبِّکُمۡ تُرۡجَعُوۡنَ ﴿۱۱﴾

(হে হাবিব! আপনি) বলুন, ‘তোমাদের জন্য নিয়োজিত মৃত্যুর ফেরেশতা (মালাকুল মাউত) তোমাদের জান কবজ করবে। অতঃপর তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিপালকের কাছেই ফিরিয়ে আনা হবে।’

[সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত: ১১]

وَ کَمۡ مِّنۡ مَّلَکٍ فِی السَّمٰوٰتِ لَا تُغۡنِیۡ شَفَاعَتُهُمۡ شَیۡئًا اِلَّا مِنۡۢ بَعۡدِ اَنۡ یَّاۡذَنَ اللّٰهُ لِمَنۡ یَّشَآءُ وَ یَرۡضٰی ﴿۲۶﴾

আসমানসমূহে অনেক ফেরেশতা রয়েছেন, কিন্তু তাঁদের সুপারিশ কারো কোনো কাজে আসবে না; তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন এবং যার প্রতি তিনি সন্তুষ্ট—কেবল তার ব্যাপারে অনুমতি দেওয়ার পর (তাঁরা সুপারিশ করতে পারবেন)।

[সূরা আন-নাজম, আয়াত: ২৬]